
মোঃ জামাল উদ্দিন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :-
এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো: আব্বাস আলী বলেছেন, “ উদ্যোক্তার এই প্রশিক্ষণ আপনাদের কাজে লাগবে। তবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। থেমে থাকা যাবে না। চর্চার কোনো বিকল্প নেই। চলমান রাখলে একটা সময় বেশ ভালো কিছু হবে।”
তিনি বলেন, উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে হলে তিনটি জিনিস জরুরি—কমিটমেন্ট, সততা ও লেগে থাকা। এই তিনটি মানসিকতা থাকলে যেকোনো ব্যক্তি সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন।
বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মজিবর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত “ব্যাঙ্কেবল প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি” বিষয়ক দুই দিনের কর্মশালা শেষে সনদপত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৯%-এর বেশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ সময় কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তা হাসিনা আনসারী-কে প্রশংসা করে তিনি বলেন, তার মতো অনেকেই উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের কর্মজীবনে পরিবর্তন আনছেন।
অনুপ্রেরণার এই পথ ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি কাজী রফিকুর রহমান ও ফেয়ার’র নির্বাহী প্রধান দেওয়ান আখতারুজ্জামান সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালাটি জেলার উদ্যোক্তাদের মাঝে পেশাদারিত্ব, পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক ধারণাকে কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখাতে ভূমিকা রেখেছে।
দুই দিনের এই কর্মশালার দুই দিন প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের অভিজ্ঞ পরামর্শক তারেক আহমেদ সালাহউদ্দিন খান।
অংশগ্রহণকারীদের ব্যাঙ্কের জন্য উপযোগী প্রকল্প প্রস্তাব প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি, বাজেট নির্ধারণ, মার্কেট অ্যানালাইসিস, আর্থিক পূর্বাভাস ইত্যাদি বিষয়ের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ৩০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তারা এখন নিজের ব্যবসার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি করতে সক্ষম হবেন এবং ব্যাংক ঋণের জন্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আবেদন করতে পারবেন।
কুষ্টিয়ায় এসএমই ফাউন্ডেশনের দুই দিনের কর্মশালায় বক্তারা
উদ্যোক্তার এই প্রশিক্ষণ আপনাদের কাজে লাগবে
কুষ্টিয়া : এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো: আব্বাস আলী বলেছেন, “ উদ্যোক্তার এই প্রশিক্ষণ আপনাদের কাজে লাগবে। তবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। থেমে থাকা যাবে না। চর্চার কোনো বিকল্প নেই। চলমান রাখলে একটা সময় বেশ ভালো কিছু হবে।”
তিনি বলেন, উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে হলে তিনটি জিনিস জরুরি—কমিটমেন্ট, সততা ও লেগে থাকা। এই তিনটি মানসিকতা থাকলে যেকোনো ব্যক্তি সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন।
বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মজিবর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত “ব্যাঙ্কেবল প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি” বিষয়ক দুই দিনের কর্মশালা শেষে সনদপত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৯%-এর বেশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ সময় কুষ্টিয়ার নারী উদ্যোক্তা হাসিনা আনসারী-কে প্রশংসা করে তিনি বলেন, তার মতো অনেকেই উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের কর্মজীবনে পরিবর্তন আনছেন।
অনুপ্রেরণার এই পথ ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি কাজী রফিকুর রহমান ও ফেয়ার’র নির্বাহী প্রধান দেওয়ান আখতারুজ্জামান সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালাটি জেলার উদ্যোক্তাদের মাঝে পেশাদারিত্ব, পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক ধারণাকে কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখাতে ভূমিকা রেখেছে।
দুই দিনের এই কর্মশালার দুই দিন প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের অভিজ্ঞ পরামর্শক তারেক আহমেদ সালাহউদ্দিন খান।
অংশগ্রহণকারীদের ব্যাঙ্কের জন্য উপযোগী প্রকল্প প্রস্তাব প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি, বাজেট নির্ধারণ, মার্কেট অ্যানালাইসিস, আর্থিক পূর্বাভাস ইত্যাদি বিষয়ের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ৩০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তারা এখন নিজের ব্যবসার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি করতে সক্ষম হবেন এবং ব্যাংক ঋণের জন্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আবেদন করতে পারবেন।