
মোঃ জামাল উদ্দিন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :-
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আয়োজিত এ দোয়া মাহফিল প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।
এসময় তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, যিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের ভোটাধিকারের প্রশ্নে কখনও আপস করেননি।
তার সংগ্রামী জীবনের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, এই জাতি তাঁকে চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক বিরল ব্যক্তিত্ব। যিনি তার সমগ্র জীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লড়াই করেছেন, কারাভোগ করেছেন। শেষদিন পর্যন্ত তিনি অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু কখনও তিনি দেশ ছেড়ে চলে যাননি।
দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান, মিরপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, মিরপুর উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক নুরুল মাস্টার, মিরপুর উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রহমত আলী রব্বান, মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক কোষাধক্ষ মোঃ আব্দুর রশিদ, মিরপুর পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ পল্টু মন্ডল, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনিস মণ্ডল, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিব মৌরি, ফুলবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহ আলম মাস্টার, আমলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুমন মালিথা, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আতিয়ার মন্ডল, ফুলবাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির, মিরপুর পৌর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ উজ্জল শেখ, মিরপুর পৌর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ সাজ্জাদ হোসেন দিনার, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ জাহিদ আল সাবিত, মিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক খন্দকার তুষার, মিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ সাব্বির হোসেন, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসিফ, আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার দেশের প্রতি ভালোবাসা, মাটির প্রতি ভালোবাসা, মানুষের প্রতি ভালোবাসাই এই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষগুলোকে আলোড়িত করেছে।
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যখন তার অভিভাবকত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, ঠিক সেই সময় তার চলে যাওয়ায় মানুষ সবচেয়ে বেশি মর্মাহত হয়েছে। সে কারণেই দেশনেত্রীর নামাজে জানাজায় তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মানুষ সমবেত হয়েছে এবং চোখের পানি ফেলেছে।